অনলাইনে ই-পাসপোর্ট করার নতুন নিয়ম

যারা অনলাইনে ই-পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করতে চান তারা কোন রকম ভোগান্তি ছাড়াই অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করতে পারবেন এখন খুব সহজে।আগে পাসপোর্ট পেতে অনেক ঝামেলার শিকার হতে হতো কিন্তু পাসপোর্ট অফিস তাদের নীতিমালা পরিবর্তন করে অনলাইন আবেদনের এক নতুন পদ্ধতি তৈরি করেছে।

পাসপোর্ট আবেদন করার জন্য আপনার কম্পিউটার ব্রাউজরে epasport লিখে সার্চ দিবেন এবং গভারমেন্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন।৫ টি স্টেপে একজন আবেদনকারীকে আবেদন সম্পূর্ণ করতে হবে।

সরাসরি লিঙ্কে গিয়ে আবেদন করুনঃপাসপোর্ট আবেদন

আপনার এলাকায় পাসপোর্ট এভেইলএবল কিনা সেটা চেক করে দেখতে হবেঃ

যদি পাসপোর্ট এভেইলএবল থাকে তাহলে আপনি খুব সহজেই আবেদন করতে পারবেন।বাংলাদেশের সব জায়গায় ই-পাসপোর্ট এভেইলএবল করা আছে।অতএব টেনশন ছাড়াই একজন আবেদনকারী আবেদন করতে পারবে।এরপর আপনাকে আপনার পুলিশ স্টেশন এবং আপনার বিভাগ সিলেক্ট করে দিতে হবে।এরপর কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করে নেক্সট পেজে চলে আসতে হবে।

আরও জানুনঃ

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার নিয়ম ২০২১

মেসেঞ্জার রুম ব্যাবহার করার নিয়ম-টেকনো এক্সট্রা

ফর্ম পুরুন করতে হবেঃ

ফর্ম পুরুন হল ৫ টি স্টেপের আরেকটি স্টেপ।এই স্টেপে ইমেইল দিতে হবেে এবং একটি পাসওয়ার্ড দিতে হবে যাতে আবেদনকারী পরবর্তীতে আবার লগ-ইন করতে পারে।

এরপর আপনার সামনে একটি টেবেল ওপেন হবে।টেবেলে সকল ইনফরমেশন ফুলফিল করতে হবে।সেখানে আপনার এনআইডি কার্ডের নাম দিতে হবে।এরপর একটি অপশনাল ণাম এবং মোবাইল নাম্বার দিয়ে দিয়ে কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করতে হবে।এরপর আপনার ইমেইলে একটি মেইল চলে যাবে মেইলটি ওপেন করে অন্যান্য ইনফরমেশন দিয়ে দিবেন।

অনলাইনে ই-পাসপোর্ট করার নতুন নিয়ম
অনলাইনে ই-পাসপোর্ট করার নতুন নিয়ম

পাসপোর্ট ফি প্রদানঃ

এবারে আসি কিভাবে আপনি ফি দিবেন।আপনাকে ব্যাংকের মাধ্যমে পাসপোর্ট ফি টা প্রদান করতে হবে।ফি দেওয়ার জন্য সোনালি,বাংলাদেশ ব্যাংক,ওয়ান ব্যাংক,ট্রাস্ট ব্যাংক,ঢাকা বাঙ্ক,এশিয়া ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া যাবে।ই-পাসপোর্ট আপনি চাইলে ৫ বছর ও ১০ বছর মেয়াদি এবং ৪৮ পেজ ও ৬৪ পেজ নিতে পারবেন।এক একটা ক্যাটাগরির এক একটা দাম থাকবে।দাম দেখে যেটা আপনার পছন্দ সেটা সিলেক্ট করে নিবেন।

আরও জানুনঃ

সি প্রোগ্রামিং এর কাজ কী?সি এর ইতিহাস ও বৈশিষ্ট-টেকনো এক্সট্রা

Quora কি?Quora ব্যাবহারে সুবিধা কি কি?-টেকনো এক্সট্রা

বায়োমেট্রিকক্স করার জন্য পাসপোর্ট অফিসে গমনঃ

আপনার যখন ফর্ম পুরন হয়ে যাবে তখন ফরম ও পেমেন্ট স্লিপ নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে।সেখানে তারা ডকুমেন্টগুলো দেখে আবেদনকারীর সত্যতা যাচাই করে করে তাকে বায়মেট্রিক্স করাবে।বায়মেট্রিক্স মানে হল তার হাতের আঙ্গুলের ছবি নেওয়া এবং চোখের রেটিনা স্ক্যান করা।

পাসপোর্ট সংগ্রহ করাঃ

অন্যান্য কাজ শেষ হয়ে এবারে ৫ম স্টেপে আপানকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।এজন্য পাসপোর্ট অফিস একটি ডেলিভারী স্লিপ দিবে স্লিপ নিয়ে নির্দিষ্ট তারিখের দিন পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।

আরও জানুনঃ

গুগল মিট বনাম জুম কোন অ্যাপটি সেরা?

জানুন গুগলের সেরা ৭ টি প্রোডাক্ট কি কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button