অনলাইন আয় কেন করবেন না?অনলাইন আয় 2021

অনলাইন আয় আমাদের কাছে খুবই সহজ মনে হলেও আসলে অনলাইন আয় এতটা সোজা নয়।অনলাইন আয়ের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত থাকার পাশাপাশি আপনাকে প্রচুর ধৈর্য্য ধারন করতে হবে।

প্রথমে আপনাকে যে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে যে অনলাইনে এত সহজে করা যায় না।

এরপর আসি আপনি মোবাইল দিয়ে আয় করতে পারবেন কি না? জি আপনি মোবাইল দিয়েও আয় করতে পারবেন।কিভাবে আয় করা যাবে তার সমস্ত তথ্য আপনাদের কাছে আমি তুলে ধরছি।

ফেসবুক পেজ দিয়ে আয়:

জী।আপনি ফেসবুক থেকে আয় করতে পারবেন।এজন্য আপনার একটি ফেসবুক পেজ লাগবে।ওই পেজে আপনার ভিডিও আপলোড করা লাগবে।এরপর আপনাকে আপনার পেজে 10,000 ফলোয়ার বানানো লাগবে এবং 60 দিনে 60,000 মিনিট ভিউ বানাতে হবে।60 দিনে না পারলে পরবর্তি 60 দিন থেকে আবার হিসাব শুরু।এটা হলো ফেসবুক থেকে আয় করার পদ্ধতি।এখন আপনি চাইলে এই কাজ মোবাইল দিয়েও করতে পারবেন।এজন্য আপনার লেপটপ থাকা লাগবে না।

ইউটিউব থেকে আয়:

এবারে আসি ইউটিউবে কিভাবে আয় করবেন।অনেকেই ইউটিউব থেকে আয় করার পদ্ধতি জানেন না।কারো কাছে ভুলবাল শুনে লেগে পড়েন এবং কিছুদিন পর ডিমোটিভেট হয়ে ছেড়ে দেন।আমি আপনাদেরকে আজকে আসল তথ্য শেয়ার করবো।

ইউটিউবে আয় করার জন্য আপনাকে 1000 সাবস্ক্রাইবার বানাতে হবে এবং 4000 মিনিট ওয়াচ টাইম লাগবে।ইউটিউব মুলত কন্টেন্টের উপর কাজ করে, এজন্য আপানাকে খুব ভালো মানের কন্টেন্ট বানাতে হবে। প্রয়োজনে কিভাবে ভালো কন্টেন্ট বানানো যায় এই রিলেটেড কিছু ভিডিও দেখে নিতে পারেন । এছারাও আপনাকে কিভাবে থাবনিল বানাতে হয় এটা জানতে হবে কারণ ইউটুবে থাবনিল ভালো হলে ভিডিও ভাইরাল হওযার সম্ভবনা থাকে|

ব্লগিং করে আয়:

সবচেয়ে পরিচিত একটি আয়ের মাধ্যম হলো ব্লগিং করে আয় । এজন্য আপনার একটি ব্লগ সাইট থাকতে হবে অথবা আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইট থাকতে হবে । আর সাইটে প্রচুর ভিজিটর আনা সহ আপানকে নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে । তাহলে আপনি ব্লগিং করে আয় করতে পারবেন ।এটি আপনি মোবাইল দিয়েও চাইলে করতে পারবেন এজন্য আপানর ল্যাপটপ থাকা লাগবে এমন না । যদি ব্লগিং করতে আগ্রহী থাকেন তাহলে আপনি সোজাসোজি ইউটুবে চলে যান,ইউটুবের সার্চ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন -কিভাবে ব্লগিং শুরু করব । এরপর একটার পর একটা ভিডিও দেখতে থাকুন দেখবেন আপনি ব্লগিংয়ের বেসিক ধারণা পেয়ে যাবেন।

ফ্রীলান্সিং করে আয় :

ফ্রীলান্সিং শব্দটা একটু কঠিন এবং কাজটাও একটা কঠিন বিষয় । তবে আপনি যদি পরিশ্রম এবং দৈর্য ধারণ করতে পারেন তবে আপনার কাছে এটা কঠিন কিছু না । এটার জন্য আপনাকে কিছু বিষয় পারদর্শী হতে হবে যেমন :-ডাটা এন্ট্রি,ওয়েব ডিজাইন,ওয়েব ডেভেলপমেন্ট,কম্পিউটার সিকিউরিটি ,এস ই ও সহ আরো ও অনেক কিছু আছে । যেটা জানলে আপনি খুব সহজেই কাজ করতে পারবেন । ফ্রীলান্সিং করার জন্য আপানকে অবশ্যই ল্যাপটপ কিনতে হবে ,ল্যাপটপ ছাড়া ফ্রীলান্সিং কথাটা মাথায় ও আনা যাবে না ।

এফিলিয়েট মার্কেটিং:

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করা সব থেকে সহজ আবার কিছুটা কঠিন ও আছে । এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলে আপানকে একটা প্লাটফর্ম বানাতে হবে । এজন্য আপানর একটি ফেসবুক পেজ অথবা আপনার একটি রেঙ্কিং ওয়েবসাইট থাকতে হবে । আপনি এফিলিয়েত মার্কেটিং করে মাসে ২০০০ থেকে ৪০০০ টাকা আয় করতে পারবেন । এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য আপনি এমাজন,ম্যাক্স বাউনটি ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট করে কাজ শুরু করে দিতে পারেন।

অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রি করে:

আপনি যদি অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রি করতে চান,তাহলে আপানকে একটি ওয়েবসাইট তৈরী করতে হবে । যদিও এখন কম্পিটিশন অনেক বেশি তারপর ও আপনি যদি ইউনিক ও ভালো মানের প্রোডাক্ট দিতে পারেন তাহলে অনলাইন থেকে আয় করা খুবই সহজ । এছাড়াও আপনি চাইলে আমাজন,আলি এক্সপ্রেস সহ অনেক ওয়েব সাইটে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন।

ডাটা এন্ট্রি  জব 

ডাটা এন্ট্রি জব খুব সহজেই করা যায় । এর জন্য আপনাকে স্পেশাল স্কিলড হওয়া লাগবে না। আপনার একটি কম্পিউটার এবং শক্তিশালী ইন্টারনেট কানেকশন হলেই আপনি ডাটা এন্ট্রি জব করতে পারবেন । এই জব খুব সহজেই ভিবিন্ন ওয়েব সাইট থেকে করতে পারবেন,আপনার টাইপ স্পিড যদি খুব ভালো থাকে তাহলে আপনি প্রতি ঘন্টায় ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা আয় করতে পারবেন।

কন্টেন্ট রাইটিং 

আপনি যদি লেখালেখিতে খুব ভালো হোন,তাহলে ভালো মানের কন্টেন্ট লিখে আয় করতে পারবেন । কন্টেন্ট রাইটিংয়ের অনেক গুলো সাইট আপনি ইন্টারনেট খুজলে পেয়ে যাবেন সেখান থেকে সব চেয়ে ভালো যে সাইট আছে সেটা আপনাকে বেছে নিয়ে কন্টেন্ট লিখতে হবে কারণ বর্তমানে অনেক সাইট আছে যেগুলো বিশ্বাস যোগ্য নয় ।

অনলাইনে শিক্ষকতা 

অনলাইনে শিক্ষকতা বর্তমানে খুব জনপ্রিয় হয়ে গেছে । আপনি যদি খুব ভালো পড়াতে পারেন তাহলে আপনি অনলাইনে ভিবিন্ন কোর্স করাতে পারবেন । অনলাইনে টিচিং পক্রিয়াটা করনা সময় খুব বেড়ে গেছে এটা ছাত্র ছাত্রীদের কাছেও খুব সহজ হয়ে গেছে । সুতরং এটি একটি জনপ্রিয় আয় যেটা আপনি অনলাইনে করতে পারবেন ।

গ্রাফিক্স ডিজাইন 

অনলাইন আয়ের এটি একটি অন্যতম মাধ্যম । যারা ফটোশপের কাজটা খুব ভালো পারে তারা চাইলে গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয় করতে পারে । এই কাজ বেশি একটা কঠিন না আপনি চাইলে ২-১ মাস প্রাকটিস করে গ্রাফিক্স ডিজাইন শুরু করতে পারেন । গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আপনি মাসে ৫০০০০ থেকে শুরু করে ১০০০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন ।

আরও জানতে পড়ুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button