জানুন গুগলের সেরা ৭ টি প্রোডাক্ট কি কি?

হ্যালো বন্ধুরা আসস্লামুয়ালাইকুম টেকনো এক্সট্রার পক্ষ থেকে আরও একটি নতুন এপিসোডে আপনাদের সকলকে স্বাগতম।এই এপিসোডে আপনি জানুন গুগলের সেরা ৭ টি প্রোডাক্ট কি কি।বর্তমান সময় গুগল ইন্টারনেটের মাত্রাকে বহুগুন বাড়িয়ে তুলেছে তার নিজস্ব প্রোডাক্ট দিয়ে।

আরও জানুনঃ

নগত কি?নগত একাউন্ট কেন খুলবেন?নগতের সুবিধা ২০২১

বুটস্ট্রাপ ৪ কি?বুটস্ট্রাপ কোথায় ব্যবহার করা হয় ?

আজকে যেটা ইন্টারনেটে একছত্র আধিপত্ত বিস্তার করতেছে সেটা হল গুগল।গুগলের নিত্যনতুন প্রোডাক্ট দিয়ে যেন ইন্টারনেট দুনিয়াকে হাতের মুঠোয় নিয়ে নিয়েছে গুগল।এখন গুগল ছাড়া ইন্টারনেট অর্থহীন।

গুগল যে যে প্রোডাক্ট গুলো তৈরি করেছে তা নিচে দেওয়া হলঃ

  • গুগল ক্রোম
  • জিমেইল
  • গুগল ড্রাইভ
  • প্লে-ষ্টোর
  • ইউটিউব
  • গুগল ম্যাপ
  • গুগল অ্যাডসেন্স

১।গুগল ক্রমঃ

গুগল ক্রম হল একটি ব্রাউজার যেটি গুগলের একটি প্রোডাক্ট।২০০৮ সালে এটি প্রথম মাইক্রোসফট অ্যাপের জন্য লঞ্ছ করা হয়।পরে এটিকে লিনাক্স,ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যুক্ত করা হয়।এটি হল গুগল ক্রমের মেইন কম্পোনেন্ট এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন।ক্রম ব্রাউজার থেকে খুব সহজে গুগলের প্রোডাক্ট এর সাথে সংযোগ হওয়া যায়।

আরও জানুনঃ

এস ই ও শিখি এবং ওয়েবসাইটে ট্রাফিক নিয়ে আসি

ব্লগিং করে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করার কৌশল।

২।জিমেইলঃ

জিমেইল হল ফ্রী ইমেইল সেবা যেটা গুগলের একটি নিজস্ব প্রোডাক্ট।২০১৯ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী সারা বিশ্ব জুড়ে প্রায় ১.৫ বিলিয়ন লোক এই জিমাইল ব্যাবহার করছে।জিমাইল কোন একটি ব্রাউজার অথবা মোবাইল অ্যাপ দিয়ে চালানো যায়।

২০০৪ সালে জিমেইলের যাত্রা শুরু হয়।এখন এটি ব্যাবহারকারীকে ১৫ জিবি জায়গা দিয়ে থাকে যেটা গুগল ড্রাইভের সাথে সংযুক্ত।ব্যাবহারকারী একসাথে ৫০ মেগবাইটের ফাইল গ্রহন করতে পারে এবং ২৫ মেগাবাইটের ফাইল পাঠাতে পারে।এর চেয়ে বেশি ফাইল পাঠাতে হলে আগে সেটাকে ড্রাইভে রাখতে হবে।

৩।গুগল ড্রাইভঃ

গুগল ড্রাইভ হল একটি খালি জায়গা যেখানে একজন ইউজার তার ফাইলপত্র রাখতে পারে।গুগল ড্রাইভে ১৫ জিবি খালি জায়গা থাকে এবং গুগলকে বাড়তি টাকা দিলে এটাকে গুগল ৫০ থেকে ১০০ জিবি তে পরিণত করে দিতে পারে।গুগল ড্রাইভে ৭৫০ জিবি প্রজন্ত ফাইল আপলোড করা যায়।

গুগল ডকস,স্প্রেডসীট,এক্সেল এগুলোর সাথে গুগল ড্রাইভের সংযোগ রয়েছে।কেউ চাইলে অনলাইনে ওয়ার্কসীট বানিয়ে গুগল ড্রাইভের মধ্যে রাখতে পারে।ইউজার গুগল ড্রাইভ থেকে খুব সহজে ফাইল সেন্ড এবং শেয়ার করতে পারে।

আরও জানুনঃ

উপায় অ্যাপ এমবি ছারাই চলবে গ্রামীনফোনে।

কম্পিউটার হ্যাং হওয়ার কারন কি?হ্যাং হলে করনিও কী কী?

৪।প্লে-ষ্টোরঃ

গুগল প্লে যেটা গুগল প্লে ষ্টোর নামে পরিচিত।গুগল android কে ২০০৮ সালে লঞ্চ করে এবং এটার সাথে গুগল প্লে সার্ভিস যুক্ত করে।বর্তমানে সকল ধরণের মিউজিক,বই,মুভি এপ সহ হাজারও এপ android এর সাথে যুক্ত আছে।প্লে ষ্টোর থেকে খুব সহজে android এপ ডাউনলোড করা যায় এবং এটা সম্পূর্ণ ফ্রী।কোন ধরণের চার্জ এটার সাথে যুক্ত নাই।২০১৭ সালের জরিপ অনুযায়ী এখন প্রজন্ত android এ প্রায় ৩.৫ মিলিয়ন এপ রয়েছে।

৫।ইউটিউবঃ

ইউটিউব হছে এক ধরণের ভিডিও শেয়ারইং ওয়েবসাইট যেটা প্রথমে আলাদা থাকলেও পরে গুগলের সাথে যুক্ত হয়।এটি গুগল ১.৬৫ বিলিয়ন ডলার দিয়ে কিনে নেয় ২০০৬ সালে।ইউটিউবের অনেক গুলো প্রোডাক্ট আছে যেমন ইউটিউব প্রিমিয়াম,ইউটিউব কাইড,ইউটিউব মিউজিক,ইউটিউব টিভি।

২০২০ সালে এর আয় হয়েছিল ১৯.২০ মিলিয়ন ডলার।ইউটিউব হল জিমেইলের মত একটি জনপ্রিয় প্রোডাক্ট যেখানে ইউজার প্রতিনিয়ত ভিডিও আপলোড করে থাকে।

৬।গুগল ম্যাপঃ

গুগল ম্যাপ হল ইউটুবের আরেকটি জনপ্রিয় প্রোডাক্ট।গুগল মেপ একটি ওয়েব ম্যাপিং প্লাটফর্ম যেটা অনলাইনে আপনাকে রাস্তা দেখাবে।২০২০ সালের জরিপ অনুযায়ী প্রায় ১ বিলিয়ন লোক এই গুগল মেপ ব্যাবহার করেছে।গুগল ম্যাপের উপর ভিত্তি করে এখন অসংখ্য রাইড শেয়ারিং চালু হয়েছে।যেটা অনাকাঙ্খিত জ্যাম অনেকটাই কমিয়ে ফেলেছে।এটা স্যাটেলাইটের উপর ভিত্তি করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শন করে থাকে।গুগল ম্যাপ এখন আইওএস এবং android ভার্সনে সাপোর্ট দিয়ে থাকে।

৭।গুগল অ্যাডসেন্সঃ

গুগল অ্যাডসেন্স হল গুগল প্রোডাক্ট ভিত্তিক অ্যাডভারটাইজ পক্রিয়া।যেখানে গুগল নিজেই ইউজারের কন্টেন্টের উপর ভির্তি করে অ্যাডভারটাইজ দিয়ে থাকে।যেমন আমরা যখন গুগলের কোন ভিডিও দেখি তখন ভিডিওর শুরুতে অথবা শেষে আমরা অ্যাডভারটাইজ দেখে থাকি।

এছারাও ব্লগ অথবা প্লে ষ্টোরের এপের ক্ষেত্রেও অ্যাডভারটাইজ দেখা যায়।অ্যাডভারটাইজ পাওয়ার জন্য ইউজারকে একটা টার্গেট পুরন করতে হয়।যখন ইউজার টার্গেট পুরন করে থাকে তখনই ইউজারের কন্টেন্টে অ্যাডভারটাইজ দেখা যায়।

আরও জানুনঃ

অনলাইনে লোগো তৈরি এখন খুব সহজ

ফেসবুক পেজ থেকে আয় করার উপায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button