সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ১০ টি এন্ড্রয়েড অ্যাপ

সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ১০ টি এন্ড্রয়েড অ্যাপ যা আপনার ফোনে ব্যাবহার করতেই হবে।এই সেরা ১০ টি অ্যাপস ছাড়া আপনার মোবাইল চালাতে পারবেন না।

Android App সম্পর্কে জানতে গেলে আমাদের প্রথমে জানা উচিত Apps কি।কোন কোন এন্ড্রয়েড অ্যাপ আমাদের কি কি সুবিধা দেয়?

Apps কি?

প্রথমে আমাদের জানা উচিত Apps কি।Apps শব্দের অর্থ হল অ্যাপলিকেশন যেটা কোন একটি ডিভাইস চালাতে ব্যাবহার করা হয়।অ্যাপলিকেশনকে আবার ক্যাটাগরি করা যায়।যেমনঃandroid application,desktop application এই আর্টিকেলে আমরা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন নিয়ে আলোচনা করব।

সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অ্যাপ 10 টি অ্যাপস নিয়ে আজকে আমাদের এই এপিসোড।এই আর্টিকেলে আপনি জানতে পারবেন কি কি app আমাদের খুবই দরকার।আমাদের প্রয়োজনীয় এপগুলো সাধারণত মোবাইলে ফিচার হিসেবে সেট করা থাকে আবার কোনো কোনো এপ আমাদের ডাউনলোড করে নিতে হয়।

  • মেসেঞ্জার অ্যাপ
  • ইমু
  • ভিডমেট
  • টিকটক
  • স্ক্রিন রেকডার
  • ইউটিউব
  • বাংলা ডিকশনারি
  • স্নাপসিড
  • গুগল ম্যাপ
  • গুগল ড্রাইভ

মেসেঞ্জার অ্যাপ/messenger app

মেসেঞ্জার অ্যাপ হল সব থেকে জনপ্রিয় একটি অ্যাপ।মেসেঞ্জার অ্যাপ তাৎক্ষণিক ম্যাসেজ অ্যাপ যেটা আমেরিকান প্রতিষ্ঠান ফেসবুক দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালে।এটা ২০১১ সালে android app এ রূপান্তরিত করা হয়। এই অ্যাপ এ যাবতকালের সব থেকে বেশি ডাউনলোডকৃত অ্যাপ।এই অ্যাপ এখন পর্যন্ত ৫ বিলিয়ন ডাউনলোড হয়েছে।

কি কি সুবিধা দিয়ে থাকে মেসেঞ্জার অ্যাপ

ডাইরেক্ট ম্যাসেজে পক্রিয়াঃমেসেঞ্জারে একজন বেবহারকারী অন্য বেবহারকারীকে সরাসরি ম্যাসেজ পাঠাতে পারবে তাতে ফ্রেন্ড হতে হবে না শুধু কন্টাক্ট নাম্বার থাকলেই হবে।

মেসেঞ্জার কলঃ২০১৩ সালে কানাডার বেবহারকারীর জন্য ফেসবুক প্রথমে ভয়েস কল যুক্ত করে পরে এটাকে বাড়ানো হয়।২০১৫ সালে এরা ভিডিও কল যুক্ত করে কিছু নিদিষ্ট দেশের জন্য এবং ভিডিও কলে ৫০ জন অংশগ্রহন করতে পারবে।ভিডিও কলের সাথে অনেক গুলো জিনিস যুক্ত করা হয় যেমন অ্যানিমেটেড,স্ক্রিনশুট এবং স্ক্রিন শেয়ার সহ আরও অনেক ফিচার।

আরও জানুনঃ

কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স আবেদন করবেন

ইমো/imo

ইমো হলো যোগাযোগের আরেকটি নতুন অধ্যায়।imo বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় একটি অ্যাপ।এমন কোনো মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না যারা এখন প্রজ্যন্ত স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেছে কিন্তু imo ব্যবহার করে নি।ইমো তে ফেসবুক মেসেঞ্জারের মত এই সাথে অডিও ভিডিও কল সহ ফাইল শেয়ার করা যায়।ইমো তে আছে নতুন নতুন ইমজি।ইমো গ্রুপ কলে প্রায় 20 জন প্রজ্যন্ত ইউজার যোগদান করতে পারে।ইমো ইনস্টল করার জন্য শুধু একটি নাম্বার হলেই যথেষ্ট এখানে ফেসবুকের মত পাসওয়ার্ড ও ইমেইলের ঝামেলা নেই।
ইমো ইনস্টল করার জন্য play store থেকে ইমো ইনস্টল করে নিতে হবে।ইমো ইনস্টল করার পর বিশেষ আর কোনো কাজ নেই জাস্ট আপনার নাম্বারটি বসিয়ে দিবেন।এরপর আপনার মেসেজে একটি কোড নাম্বার আসবে সেটি বসিয়ে দিলে কাজ শেষ আর বিশেষ কোনো কাজ নেই।
কম্পিউটার থেকেও imo download করা যায় এটা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সাথে খুব সামঞ্জস্যপূর্ণ করে দেওয়া হয়েছে।আপনি চাইলে মোবাইলের পাশাপাশি কম্পিউটারে ও ব্যবহার করতে পারবেন।

ভিডমেট/vidmate dowload:

যাদের ওয়াই ফাই নাই তাদের কাছে ভিডমেট একটি মজার অ্যাপ।গ্রামে অনেকেই আছে এমবি কিনে ইন্টারনেট চালায়।আর মোবাইল সিম কোম্পানি এই এমবির দাম যেমন বাড়িয়েছে সেই সাথে এমবির মেয়াদ লিমিট করে দিয়েছে।সুতারং তাদের কাছে ভিডমেট হল মহা আবিষ্কার।
কিন্তু vidmate apk download নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে।এটাকে কিভাবে ডাউনলোড করবে?এটা অনেক না বুঝে প্লে স্টোর খুঁজতে থাকে কিন্তু কোথায়ও খুঁজে পায় না।গুগলে খুঁজে কিন্তু গুগলে তো ফটকাবাজের অভাব নেই তারা নিজেরা ওয়েবসাইট খুলে মানুষকে ধোঁকার মধ্যে ফেলে দেয়।

তাই এই সমস্যা সমাধানের জন্য একটি ট্রাস্ট ওয়েবসাইট আছে যেখান থেকেই কেবল ভিডমেট ডাউনলোড করা যাবে।
প্রথমে আপনি আপনার গুগল সার্চ বক্সে apakur vidmate download লিখে সার্চ দিবেন।এখানেই আপনি আপনার পছন্দের অ্যাপটি পেয়ে যাবেন।সেখানে ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করে ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিবেন।

আপনার android app সঠিক কাজ করে কিনা তা দেখার জন্য প্র্যাক্টিস হিসেবে একটি ভিডিও ডাউনলোড করে নিবেন।ভিডিও ডাউনলোড করতে যেয়ে যদি দেখা যায় যে বিভিন্ন পিক্সেল ডাউনলোড হয় তাহলে আপনি সঠিক অ্যাপ ইনস্টল করেছেন।

টিকটক/tiktolk

টিকটক একটি জনপ্রিয় অ্যাপ।এমন কাউকে পাওয়া যাবে না যে টিকটকের নাম শুনেনি।কেউ ভিতরে কি আছে এটা দেখার জন্য হলেও tiktalk download দিয়েছে।২০২০ সালে এই টকটক এত বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে যেটা অন্য কোন অ্যাপ এত জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি।টিক টক একটি চায়না কম্পানি বাইট ড্যান্স ২০১৬ সালে নির্মাণ করে।

টিক টক একটি ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ যেখানে মজার মজার ভিডিও পাবলিশ করা হয়।টিকটকে একটি ভিডিও কাস্টম থাকে সেখানে বেবহারকারি একটি ভিডিও জুড়ে দিয়ে একটি ফানি ভিডিও বানাবে এটাই মূল কাজ।টিক টক অ্যাপ এখন প্রজন্ত ৪০ টি ভাষায় ট্র্যান্সলেট করা হয়েছে।

আরও জানুনঃ

ইউটিউব ভিডিও থেকে টাকা ইনকাম কিভাবে করবেন।

স্ক্রিন রেকডার/screen recorder apk

আমারা মোবাইলে অনেকই স্ক্রিন রেকর্ড করতে চাই আবার কেউ টুকটাক এডিটিং করতে পছন্দ করি।তারা screen recorder apk দিয়ে এই কাজটি খুব সহজে করতে পারবেন।স্ক্রিন রেকর্ডার দিয়ে মোটামুটি অ্যাডভান্স লেভেলের এডিটিং করা যাবে।

ইউটিউব/youtube

ইউটিউব হল ভিডিও দেখার জন্য সেরা অ্যাপ।এটি গুগলের সেরা একটি প্রডাক্ট।এর জনপ্রিয়তা হল আকাশচুম্বী।ইউটিউব ২০০৫ সালে যাত্রা শুরু করেছিল।জেনে অবাক হবেন যে সারা সারা পৃথিবীতে ইউটিউব হচ্ছে দ্বিতীয় ওয়েবসাইট যার সার্চ ভ্যালু অনেক বেশি।শুধু ২০২০ সালে এদের আয়ের পরিমান ছিল ১৯.৭৭ বিলিয়ন ডলার।গুগল এডসেন্স ইউটুবের এডভার্টাইজে করে থাকে।
আপনি একটি নতুন মোবাইল কিনলেই ইউটিউব এপটি দেখতে পারবেন।প্রত্যেকটি মোবাইল কোম্পানি এটিকে তাদের ফিচার হিসেবে রেখে দেয়।

বাংলা ডিকশনারি/Bangla dictionary

বাংলা ডিকশনারি আমাদের সকলের একটি প্রিয় এপ এমন কাউকে পাওয়া যাবে না যে ডিকশনারি এপ ব্যবহার করে না
Bangla dictionary তে আপনি যে শব্দটি আপনার কাছে অজানা সেই শব্দ নিমিষেই খুঁজে বের করতে পারবেন।এটি অফলাইনে ও খুব সুন্দরভাবে কাজ করে কোনো রকম টাইম কনজিউম ছাড়াই যেকোনো শব্দের ট্রান্সলেট করতে বাংলা ডিকশনারি অ্যাপের সময় লাগে না।

এছাড়া এই এপ দিয়ে খুব সহজে শব্দগুলো google drive এ রেখে দেওয়া যায় এবং সেখান থেকে রিস্টোর করা যায়।

স্নাপসিড/snapseed

স্ন্যাপসীড হলো একটি ফোটো এডিটিং অ্যাপ।snapseed download এর পরিমান প্রায় ১০০ মিলিয়ন।প্লে স্টোরের সেরা অ্যাপের তালিকায় এটি খুব সহজে অবস্থানা করে নিয়েছে।

স্ন্যাপসীড দিয়ে আপনি আপনার পছন্দের ছবিটি নিমিষেই এডিটিং করতে পারবেন কোনো রকম সমস্যা ছাড়াই।স্ন্যাপসীডে অনেক রকম ফিচার যুক্ত করা হয়েছে যেটা ইউজার ফ্রেন্ডলি।

গুগল ম্যাপ/google map

Google map এর সাহায্যে আপনি আপনার গন্তব্যের দিকে খুব সহজে চলে যেতে পারবেন।এজন্য আপনাকে আপনার বাসার লোকেশন দিতে হবে এবং আপনি যে লোকেশনে যেতে চান তার অবস্থান দিয়ে দিলে গুগল ম্যাপ আপনাকে সঠিক জায়গা দেখিয়ে দিবে এবং এর সাথে সাথে আপনার পরিবহন কি সেটাও সে সাজেস্ট করবে।এবং কোন পরিবহনে কত ভাড়া সেটাও গুগল ম্যাপ বলে দিবে।

আরও জানুনঃ

অনলাইনে ই-পাসপোর্ট করার নতুন নিয়ম

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার নিয়ম ২০২১

গুগল ড্রাইভ/google drive

গুগল ড্রাইভ হলো গুগলের একটি প্রোডাক্ট এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সাহায্যে প্রায় ১৫ জিবি ইন্টারনেট ফ্রি দিয়ে থাকে।এটাকে আরো সহজ ভাবে যদি বলি তাহলে আমরা বলতে পারি এটি একটি অনলাইন ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা।Google drive এ ব্যবহারকারী তাদের প্রয়োজনীয় ফাইল রেখে দিতে পারবে।শুধু তাই নয় এটাকে যেকোনো কম্পিউটার থেকে একসেস নিতে পারবে।

2 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button