কি আছে এই বিট কয়েনে? ১ বিট কয়েনের দাম ৪৭ লাখ টাকা।

বিট কয়েন কি?

বিট কয়েন হলো এক ধরণের ক্রিপ্টোকারেন্সি যা সরাসরি প্রেরক থেকে গ্রাহকের মোবাইলে চলে যায় কোনো রকম মাধ্যম ছাড়াই। বিট কয়েন লেনদেনের জন্য কোনো ধরণের আর্থিক প্রতিষ্ঠান নেই বা নিদিষ্ট কোনো ব্যক্তির হস্তক্ষেপ নেই এখানে।

বিট কয়েন হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা যা দিয়ে চোরাচালান, মাদক সহ অবৈধ কাজ করা হয়। ২০৪১ সাল প্রর্যন্ত ২১ মিলিয়ন বিটকয়েন তৈরী হবে বলে ধারণা করা হয়। তবে, কানাডা এবং আমেরিকা বিটকয়েনের উপর হস্তক্ষেপ করা শুরু করেছে, তারা সমস্ত বিটকয়েন একত্র করার চেষ্টা করছে যাতে বিটকয়েন গুলো হ্যাকার এবং স্প্যামারদের হাতে না চলে যায়।

আরও জানুনঃ

ফ্রিল্যান্সিং কেন করব?ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো 2021

ইউটিউব ভিডিও থেকে টাকা ইনকাম কিভাবে করবেন।

১ বিট কয়েন এর দাম কত টাকা:

১ বিট কয়েন এর দাম কত টাকা তা নিদিষ্ট করে বলা সম্ভব না কারণ বিটকয়েনের ক্রিপ্টকারেন্সি সব সময় ওঠা নামা করে। বর্তমানে ১ বিট কয়েনের দাম ৪৭ লক্ষ টাকার সমান। এবং ১ বিট কয়েন ৪৭ হাজার আমেরিকান ডলারের সমান।

বিট কয়েনের ইতিহাস:

২০০৮ সালে সাতাসি নাকামোতে বিট কয়েন কি এবং এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা প্রবর্তন করেন। সর্বপ্রথম তিনিই বিটকয়েন ব্যবহার করেন এবং যার সাথে প্রথম বিট কয়েন লেনদেন করেন তিনি হলেন

ফিনি। সাতাসি নাকামোতে সর্বপ্রথম ফিনিকে ১০ বিটকয়েন প্রদান করেন এবং ওই বছর তিনি প্রায় ১০  লক্ষ বিট কয়েনের মালিক হয়ে যান। বিট কয়েন সাধারণত সফটওয়্যার ওয়ালেটে সংরক্ষণ করা হয়। মজার ব্যাপার হলো তার কিছুদিন পর সাতাসি নাকামোতের আর খোঁজ পাওয়া যায় নি।

বিট কয়েনের কাজ কি?

বিট কয়েন কোনো রকম আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়াই লেনদেন হয়ে থাকে। বিটকয়েন অর্জন করতে হলে বিটকয়েন মাইন করতে হয়। প্রথমে বিটকয়েন মাইন্ সাধারণ কম্পিউটার দিয়ে হলেও এখন সুপার কম্পিউটার ছাড়া বিট কয়েন মাইন্ করা সম্ভব না। বিট কয়েন মাইন্ হয়ে গেলে তা কেবল ওয়ালেটে সংরক্ষণ করা যায়।

বিট কয়েনের সুবিধা ও অসুবিধা:

২০১৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক থেকে বিট কয়েনের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিট কয়েন দিয়ে আর্থিক লেনদেন করলে এটার কোনো প্রমান কারো কাছে থাকে না যার ফলে এ থেকে অবৈধ কাজ খুব সহজে করা যায় এছাড়া মানি লন্ডারিং সহ নানা ধরণের অপকর্ম খুব সহজে ঘটে।

বিট কয়েন থেকে খুব দ্রুত আর্থিক লেনদেন করা যায় এবং লেনদেন অত্যান্ত নিরাপদ। যে কেউ যেকোনো সময় লেনদেন করতে পারে এটাতে কারো কোনো হস্তক্ষেপ নাই।  তবে এর সুবিধা থেকে অসুবিধার পরিমান বেশি বলে ধারণা করা হয়।

আরও জানুনঃ

সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ১০ টি এন্ড্রয়েড অ্যাপ

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার নিয়ম ২০২১

বিটকয়েন সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর:

বাংলাদেশে কি ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনিং লাভজনক?

সব দেশেই ক্রিপ্টকারেনসি লাভজনক। এটা নির্ভর করে কম্পিউটার স্পীডের উপর। স্পীড যত ভালো হবে মাইনিং তত ভালো হবে। এবং ক্রিপ্টকারেন্সির রেট সব জায়গায় একই রকম।

মোবাইল দিয়ে কি বিটকয়েন আয় করা যায়?

মোবাইল দিয়ে বিটকয়েন আয় করার কোনো উপায় নাই কারণ বিট কয়েন আয় করতে হলে সুপার কম্পিউটার প্রয়োজন।

মোবাইল দিয়ে কি বিটকয়েন আয় করা যায়?

মোবাইল দিয়ে বিটকয়েন আয় করার কোনো উপায় নাই কারণ বিট কয়েন আয় করতে হলে সুপার কম্পিউটার প্রয়োজন।

ক্রিপ্টোকারেন্সি কী? এর বিষয়ে কি সহজ ভাবে বুঝানো যায়?

এটা এক ধরণের টাকা যেটা কম্পিউটার থেকে মাইনিং করে আয় করতে হয়।

আরও জানুনঃ

অনলাইনে ই-পাসপোর্ট করার নতুন নিয়ম

সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ১০ টি এন্ড্রয়েড অ্যাপ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button